Loading...
Breaking News
Home > লাইফস্টাইল > গার্লস হোস্টেলে বাঙালি মেয়েরা করে থাকে এই ৬টি ‘নিষিদ্ধ’ কাজ

গার্লস হোস্টেলে বাঙালি মেয়েরা করে থাকে এই ৬টি ‘নিষিদ্ধ’ কাজ

ভারতের মতো গ্রীষ্মপ্রধান দেশে স্বল্প পোশাকে ঘুমনো প্রায় সব সময়েই আরামদায়ক। কিন্তু বাবা-মার সঙ্গে থাকলে স্বল্পবসনা অবস্থায় ঘুমনোর সুযোগ মেয়েরা সাধারণত পায় না। কিন্তু হোস্টেলে তেমনটা করতে বাধা নেই।

পড়াশোনা হোক, কিংবা কর্মক্ষেত্র—মেয়েরা আজ সর্বত্রই ছেলেদের সমকক্ষ হয়ে উঠেছে। পেশা কিংবা লেখাপড়ার প্রয়োজনে আজকের মেয়েদের অনেক সময়েই নিজেদের আত্মীয়স্বজনের থেকে দূরে অন্য কোনও শহরে গিয়ে থাকতে হয়। সে সময়ে প্রধানত হোস্টেলই হয় তাদের আশ্রয়। গার্লস হোস্টেল বা লেডিজ হোস্টেল মানেই মেয়েদের নিজস্ব জগত। পুরুষদের প্রবেশ সেখানে নিষিদ্ধ। ফলে হোস্টেলের বাইরের দুনিয়ায় যে সমস্ত কাজ মেয়েদের ক্ষেত্রে ‘নিষিদ্ধ’, ‘অশোভন’ কিংবা ‘অদ্ভুত’ বলে বিবেচিত হয়, তার অনেকগুলিই বিন্দাস চলতে পারে লেডিজ হোস্টেলের ভিতরে। কী সেই সমস্ত কাজ? হোস্টেলে দীর্ঘ দিন থেকেছেন, এমন কিছু বাঙালি মেয়ে জানালেন সেই প্রশ্নের উত্তর—

১. অন্তর্বাস পরে ঘুমনো: ভারতের মতো গ্রীষ্মপ্রধান দেশে স্বল্প পোশাকে ঘুমনো প্রায় সব সময়েই আরামদায়ক। কিন্তু বাবা-মার সঙ্গে থাকলে স্বল্পবসনা অবস্থায় ঘুমনোর সুযোগ মেয়েরা সাধারণত পায় না। কিন্তু হোস্টেলে তেমনটা করতে বাধা নেই। কাজেই অনেক সময়ে, বিশেষত টায়ার্ড থাকলে, শুধু প্যান্টি আর ব্রা পরেই ঘুমিয়ে পড়ে মেয়েরা।

২. বিচিত্র খাদ্যাভ্যাস তৈরি করা: হোস্টেলে যে খাবার দেওয়া হয়, অনেক সময়েই তা মুখে তোলার যোগ্য হয় না। কোনও কারণে খেতে একটু রাত হয়ে গেলে, মেলে না কোনও খাবারই। ফলে তখন হাতের কাছে যা পাওয়া যায়, তা-ই খেয়েই মেটাতে হয় খিদে। ডাল-ভাতের সঙ্গে চানাচুর, কিংবা ঝুড়িভাজা দিয়ে রুটি খাওয়ার অভিজ্ঞতা হয়েছে হোস্টেল-নিবাসী অনেক মেয়েরই। আর ম্যাগি তো হোস্টেল-জীবনে খিদের মুহূর্তে প্রায় অনিবার্য সঙ্গী হয়ে থাকে।

৩. বাথরুম নিয়ে ঝগড়া: হোস্টেল মানেই যত সংখ্যক বাসিন্দা, তার চেয়ে অনেক কম সংখ্যক বাথরুম। কাজেই বাথরুমে যাওয়ার তাড়া থাকলেও সব সময়ে বাথরুম খালি মেলে না। সেই সময়ে যে মেয়ে বাথরুমটি এনগেজ করে রেখেছে, সমস্ত রাগ গিয়ে পড়ে তার উপরেই। তাকে বেশি তাড়া দিলেই শুরু হয় চেঁচামিচি, লেগে যায় ঝগড়া।

৪. দল বেঁধে পর্ন ফিল্ম দেখা: ইন্টারনেট, ল্যাপটপ কিংবা স্মার্টফোন আজকের দিনে কার্যত সকলের হাতে হাতে পৌঁছে দিয়েছে পর্ন ফিল্মকে। বাবা-মায়ের সঙ্গে যখন মেয়েরা থাকে, তখন সব সময়ে নিশ্চিন্তে পর্ন ফিল্ম দেখার সুযোগ মেলে না। বন্ধুদের সঙ্গে বসে চুটিয়ে পর্নের আনন্দ উপভোগের সুযোগ তো হয় না বললেই চলে। কিন্তু হোস্টেল-জীবনে সেই কাজ করার বাধা নেই কোনও।

৫. অল্পসল্প নেশা করা: সমাজ যতই ‘আধুনিক’ হয়ে থাকুক, মেয়েদের মদ খাওয়া বা নেশা করাকে এখনও মোটেই ভাল চোখে দেখে না সমাজের একটা বড় অংশ। কিন্তু গার্লস হোস্টেলের চার দেওয়ালের অন্দরে মেয়েদের অবাধ স্বাধীনতা। ফলে হোস্টেলের ঘরে মাঝেমধ্যে নেশা করতে তাদের বাধা নেই কোনও।

৬. মেক-আপ কিট নিয়ে ঝগড়া: ঘর একটা, ঘরে ড্রেসিং টেবিল একটা, কিন্তু বাসিন্দা হয়তো চারটি মেয়ে। একটি ড্রেসিং টেবিলেই জমা হচ্ছে তাদের মেক-আপের যাবতীয় জিনিসপত্র। ফলে ‘তুই আমার লিপস্টিকটা নিলি কেন?’, ‘মোটেই না, বরং তুই-ই আমার আই লাইনারটা ইউজ করেছিস’—এই জাতীয় ঝগড়া গার্লস হোস্টেলে লেগেই থাকে।

আরও পড়ুনঃ

Comments

comments

Loading...

Check Also

পুরুষসঙ্গী প্রতারক কিনা বোঝার ৭টি উপায়

সম্পর্কে প্রতারণা করা ইদানীং যেন খেলা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই বিষয়টি গবেষণায় প্রমাণিত যে নারীর তুলনায় …

Leave a Reply

Your email address will not be published.